Showing posts with label কারামতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম. Show all posts
Showing posts with label কারামতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম. Show all posts

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৫০

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৫০

পাবনার এক পীরবোন স্বপ্নে দেখেন, কোথাও তালীমের মজলিস হবে। সেখানে মহাসম্মানিতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম, উম্মুল উযমা আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি তাশরীফ মুবারক আনয়ন করবেন। তাই উক্ত পীরবোন উনার মুবারক সাক্ষাৎ লাভের আশায় অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। উক্ত পীরবোন বলেন, ‘আমি কিছুক্ষণ পরে দেখলাম, সেখানে একজন খুবছূরত, নূরানী চেহারা মুবারক উনার অধিকারিনী একজন মহাসম্মানিতা নিসা (মহিলা) তাশরীফ আনলেন। উনাকে আমি ইতিপূর্বে কখনো দেখিনি। দেখে মনে হচ্ছে, তিনি একজন অত্যন্ত শরীফ বংশের কেউ হবেন। তাই উনার নিকটে গিয়ে ক্বদমবুছী করে অত্যন্ত আদবের সহিত উনার নিকট জানতে চাইলাম, ‘আজকে এখানে আমাদের যিনি আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি তাশরীফ মুবারক আনার কথা। কিন্তু আপনি? আপনাকে আমি চিনতে পারছিনা। তখন তিনি বললেন, আমি স্বয়ং আন নুরুর রবি’য়াহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম। আমি এ কথা শুনে খুব আনন্দিত হয়ে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার জন্য যেই আসন মুবারকটি নির্ধারণ করা হয়েছিল ; উক্ত আসনে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে বসানোর ব্যবস্থা করি।  আমি উনাকে পেয়ে এতই খুশি হয়েছি যে, আমি  আমার ব্যক্তিগত কিছু কথা জানালাম। এভাবে আমি আমার মনের যত কথা আছে সবকিছু উনাকে এক নিঃশ্বাসে জানাতে থাকলাম। ভাবলাম যে, উনাকে যদি আর সরাসরি দেখতে না পাই। তাই সব মনের কথা বলি। কিন্তু সাইয়্যিদাতুনা আন নুরুর রবিয়াহ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি চুপ থাকলেন। আমি উনার চুপ থাকা দেখে ভয় পেলাম যে, কোন বেয়াদবী হয়ে গেল কিনা ......তারপরও কিছুক্ষণ পরে আমি আবার আগের মত সব আরজু পেশ করছিলাম, দোয়া চাচ্ছিলাম। ঠিক তখনই হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আমাকে বললেন, “তোমাদের সব কথা তোমাদের যিনি মা  উম্মুল উমাম আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনাকে জানাও। তিনিই উত্তম ফায়ছালাকারী। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)। তোমরা এ সমস্ত বিষয় উনাকে জানাও। তিনি তোমাদের ফায়ছালা করে দিবেন ” এভাবে তিনি এ কথাগুলো বারবার বললেন। এরপর উক্ত পীরবোন দেখতে পান যে, ‘উক্ত নূরানী চেহারা মুবারক কিছুক্ষণ পর পর পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছেন। একবার হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার চেহারা মুবারক, আরেকবার সাইয়্যিদাতুনা নাক্বীবাতুল উমাম শাহজাদী উলা আলাইহাস সালাম উনার চেহারা মুবারক, আবার কখনো হযরত নিবরাসাতুল উমাম শাহজাদী ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মুবারক চেহারা ধারণ করছেন। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম!!) এভাবে একের পর এক পরিবর্তন হচ্ছিলেন। একজনের মাঝে চারজন সম্মানিতা ব্যক্তিত্ব উনাদের মুবারক চেহারা দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল। স্বপ্নদ্রষ্টা পীর বোন অবাক হয়ে উক্ত চেহারা মুবারক সমূহ দেখতে থাকেন। সবশেষে সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি তাবাস্সুমি শান মুবারক (মুচকি হাসি) প্রকাশ করে সেই স্থান থেকে চলে গেলেন। 
উক্ত বিষয়টি দ্বারা মহাসম্মানিতা ও মহাপবিত্রা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার শান-মান মুবারক মর্যাদা-মর্তবা মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক, বেমেছাল বুযুর্গি-সম্মান মুবারক সম্পর্কে  জানা এবং বুঝা সম্ভব। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন মহান নিয়ামতে উজমা মুবারক সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে হাক্বীক্বীভাবে চিনে উনার হাক্বীক্বী হক্ব আদায় করে আবাদুল-আবাদ উনার পুত পবিত্র নুরুদ দারাজাত (ক্বদম) মুবারকে ইস্তেকামত থাকার তৌফিক দান করেন। (আমীন)

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৯

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৯

এক পীর বোন নিয়মিত দরবার শরীফে আসতে পারেন না। তাই তিনি যে কোন অসুখ-বিসুখ, বিপদ-আপদ, অসুবিধা ইত্যাদির জন্য অন্য একজন পীর বোন (যিনি নিয়মিত মুবারক ছোহবতে আসেন) উনার মাধ্যমে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার নিকট দোয়া মুবারক চাইতেন। কিন্তু যাকে জানানো হতো তিনি হয়তো বা কখনো এক দিন পরে বা কখনো দুই দিন পরে, আবার কখনো উনার সুবিধা মত জানানোর কারণে অনেক দিন দেরী হয়ে যেত। অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় যে, তিনি কেবলমাত্র ফোনের মাধ্যমে সংবাদ জানিয়েছেন; আর সাথে সাথেই বিপদমুক্ত হয়েছেন, কিংবা সুস্থতা লাভ করেছেন,  কিংবা যেকোন প্রয়োজন পুরা হয়ে গিয়েছে। অথচ, সংবাদটি তখনো সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট পৌঁছানো হয়নি।(সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)।
বলাবাহুল্য যে, পবিত্র দরবার শরীফ উনার যে কোন একজনকে যেকোন বিষয়ে জানিয়ে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট দোয়া মুবারক চাওয়া হলে, দেখা যায় হয়ত সেই মুহূর্তে  খবর পৌঁছানো সম্ভব হয়নি তারপরও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক উছিলায় যাবতীয় বিষয় সমূহের ফায়ছালা হয়ে যায়। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম) সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক উছিলা দিয়ে পবিত্র দরবার শরীফ উনার যে কোন জড়বস্তুর কাছেও যদি কোন বিষয়ে কিংবা কোন সমস্যার কথা বলে যাওয়া হয় তাহলেও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান সম্মানার্থে মহান আল্লাহ পাক তিনি সে বিষয়ের ফায়ছালা দান করেন এবং সমস্ত সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম) কেননা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি হলেন মুস্তাজাবুদ দাওয়াত। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে হাক্বীক্বীভাবে চিনে, ছোহবত মুবারকে থেকে দায়িম-কায়িম, ইস্তেকামত থাকার তৌফিক আমাদেরকে দান করেন। (আমীন)<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৮

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৮

মুহাম্মদপুরে থাকে একটি পরিবার। সেই ব্যক্তির দুই ছেলে। ছোট ছেলের বয়স ১১/১২বছর। হঠাৎ একদিন ছোট ছেলের মুখ দিয়ে রক্ত পড়া  শুরু হল। এরপর থেকে কয়েকদিন পর পর মুখ দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে। অনেক বড় বড় ডাক্তার দেখানো হলো, বিভিন্ন রকম টেস্ট করানো হলো। কিন্তু এর কারণ কেউ বের করতে পারলো না। পরে ছেলেটির বাবা-মা সিদ্ধান্ত নিলো, ছেলেটিকে নিয়ে ইন্ডিয়ায় যাবে চিকিৎসার জন্য। কাগজপত্র ঠিক করতে থাকে। এরমধ্যে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক পরামর্শে এক পীর বোন ছেলেটির বাবা-মাকে বললেন, আমাদের দরবার শরীফে প্রতিদিন মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল হয়। এই মহাসম্মানিত মাহফিলে কিছু হাদিয়া দেওয়ার নিয়ত করুন, অবশ্যই আপনার ছেলে সুস্থ হয়ে যাবে। (ইনশাআল্লাহ)
ছেলেটির বাবা বললেন, যদি ছেলেটি সুস্থ হয়, তাহলে ২০ হাজার টাকা দিবো। ঐ মহিলা তিনি কালোজিরা, তেল, পানি পড়িয়ে নিয়ে উনাদেরকে দিলেন এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল  উমাম আলাইহাস সালাম উনার থেকে দোয়া মুবারক নিলেন। আর সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার নিয়ত করার পর থেকে ঐ ছেলেটির মুখ দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)। যদি বাবা-মা সহ ছেলেটি চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়ায় যেতেন তাহলে কমপক্ষে লক্ষ টাকার বেশী খরচ হতো। তারপর সুস্থ হতো কিনা, তার কোন নিশ্চয়তা ছিল না। মাত্র ২০ হাজার টাকা মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফে নিয়ত করার পর থেকেই ছেলেটি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে গেল। 
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল  উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ লক্ষ্যস্থল এবং মনোনীত ওলীআল্লাহ। তিনি সর্বাবস্থায় সকলের জন্য রহমত স্বরূপ। উনার মুবারক পরামর্শে এবং মুবারক দোয়ার বদৌলতে অসংখ্য অগণীত মানুষ সুস্থতা লাভ করেছে, ইতমিনান লাভ করেছে এবং অনন্তকাল ধরে করতেই থাকবে।  (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)

কারামতে হযরত মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৭

কারামতে হযরত মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৭


কুমিল্লার একজন পীরবোন দরবার শরীফে আসার পূর্বে হাত পা প্রচন্ড জ্বালা করতো। অনেক ডাক্তার দেখানোর পর জন্ডিস ধরা পড়ে। তিনি অনেক ডাক্তার দেখিয়ে এলোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি সব ধরণের ঔষধ খেলেন। কোন পরিবর্তন হলো না। আগের মত হাত পা মাথা জ্বালাপোড়া রয়ে গেলো। এরপর তিনি দরবার শরীফে আসলেন। দরবার শরীফে এসে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি যেখানে বসে নছীহত মুবারক করেন, এবং নছীহত মুবারক শেষে যখন চলে যান তখন উনার নুরুদ দারাজাত মুবারক যে স্থানে রাখেন সেই সম্মানিত স্থান মুবারকে হাত রেখে মুখ মুছে নেন এবং দরবার শরীফে যে পড়া পানি ছিটানো হয় তা মুখে মুছেন। এরপর উক্ত পীরবোন খেয়াল করেন যে, কিছুদিনের মধ্যে তার হাত-পা, মাথা জ্বালা-পোড়া বন্ধ হয়। তারপর সেই পীরবোন বর্ণনা করেন, দরবার শরীফে আসার পূর্বে তিনি খুব রোগা ছিলেন, অসুস্থ ছিলেন কিন্তু সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার ছোহবত মুবারকে আসার পর তিনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হন এবং পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভ করেন। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)। তিনি বলেন, এ সবকিছুই মূলত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক উসিলাতে তিনি পেয়েছেন।

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৬

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৬

এক পীর বোন উনার ক্লাসের পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে স্বপ্নে দেখেন যে, সাইয়্যিদাতুনা উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি কোন এক স্থানে তাশরীফ মুবারক এনেছেন (আগমন করেছেন)। তিনি উনাকে দেখতে পেয়ে খুবই আনন্দিত। উক্ত পীরবোন হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে ক্বদমবুছী করে দুয়া মুবারক চাচ্ছেন যেন উনার ক্লাসের পরীক্ষার রেজাল্ট ভাল হয়। হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তখন উক্ত পীরবোনের মাথায় উনার পবিত্র নুরুল মাগফিরাত মুবারক (হস্তদ্বয়) রেখে জিজ্ঞাসা করেন, কি সবকিছু মনে পড়ছে? তখন উক্ত পীরবোন বললেন, ‘জ্বি অংক সাবজেক্টের কথা মনে পড়ে। আমার অংক পরীক্ষা  খুব খারাপ হয়েছে। আমি এটা নিয়ে খুব পেরেশানীতে আছি।’ উক্ত পীরবোন বারবার উনার নিকট দোয়া মুবারক চাচ্ছিলেন যেন, উনার অংক পরীক্ষার ফলাফল ভাল আসে। কারণ উনার অংক পরীক্ষা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, তিনি পরীক্ষা দিয়ে এসে হিসেব করে দেখেন উনার মার্ক ১২/১৩ আসবে। তাই তিনি খুবই চিন্তিত। তখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি পীরবোনকে আঞ্জুমানের কাজ, অর্থাৎ দ্বীনি তালীমের কাজ চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন। উক্ত স্থান থেকে বিদায় বেলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি উক্ত পীরবোনের কপালে চুম্বন করে দেন। এদিকে পীরবোন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার স্বপ্নে দেওয়া নির্দেশ মুবারক মোতাবেক পরীক্ষার ফাঁকে ফাঁকে আঞ্জুমানের কাজ চালিয়ে যান। অপরদিকে উনার অংক পরীক্ষা যে এত খারাপ হয়েছে; এ বিষয়টি তিনি বাসার কাউকে জানান নি। শুধুমাত্র স্বপ্নে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানিয়েছেন। এর মধ্যে উক্ত পীরবোন ফলাফলের অপেক্ষা করতে থাকেন। পরে ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা গেল, তিনি অংকে ৪০ এর উপরে নম্বর পেয়েছেন। যেখানে উনার ১২/১৩ নম্ব^র পাওয়ার কথা ছিল। উক্ত পীরবোন বলেন, এটা হওয়ার কথা ছিলনা। মূলত সাইয়্যিদাতুনা হযরত  উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক নির্দেশ পালন এবং খাছ দোয়া মুবারকের বদৌলতে সম্ভব হয়েছে। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম !!) 
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে নিয়ামতে উজমা মুবারক। কোন সালিক-সালিকা যখন কোন বিষয়ে সমস্যাগ্রস্ত হয় তখন তিনি স্বপ্নে ও জাগরণে সর্বাবস্থায় উক্ত সমস্যা সমাধান করে দেন, হিফাজত করেন এবং যা নেক মকছূদ রয়েছে তা পূরণ করেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন উনার সন্তুষ্টি মুতাবেক আমাদেরকে উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করার তৌফিক দান করেন। (আমীন)

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৫

কারামতে মুত্বহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৪৫

২০০৩ সালে রংপুর মাহিগঞ্জ সফরে একদিন হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি নছিহত মুবারক করছিলেন। তখন আব্দুল হালিম ভাই উনার বোন তিনি দুইজন নতুন মহিলা নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। নছিহত মুবারক উনার সময় তিনি দেখতে পেলেন যে, আসমান থেকে একখানা নূর মুবারক সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নূরুল ইলম (সিনা) মুবারক উনার উপর এসে পড়ছে আবার আসমানে উঠে যাচ্ছে। যতক্ষণ পর্যন্ত তা’লীম মুবারক হয়েছে ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি এই দৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম) তখন তিনি ভাবলেন উনার সাথে যে দুইজন মহিলা এসেছেন উনাদেরকে বলবেন কিন্তু তিনি পরে আবার ভাবলেন, তারা তো একেবারে নতুন যদি এরকম বলি তাহলে তারা যদি কোন কিছু মনে করে, এটা ভেবে তিনি আর কিছু বললেন না। তারপর উনারা যখন বাসায় ফিরে যাচ্ছিলেন তখন রিকসায় বসে একজন মহিলা উনাকে বলেছেন, তুমি কি দেখেছ যে, আসমান থেকে একখানা নূর মুবারক বারেবারে উনার নূরুল ইলম (সিনা) মুবারক উনার উপর এসে পড়ছে আবার আসমানে উঠে যাচ্ছে। তখন আব্দুল হালিম ভাই উনার বোন বললেন হ্যাঁ, আমিও এ বিষয়টি লক্ষ্য করেছি। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
نُوْرُهُمْ يَسْعٰى بَيْنَ اَيْدِيْهِمْ وَ بِاَيْمَانِهُمْ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا اَتْمِمْ لَنَا نُوْرَنَا وَاَغْفِرْلَنَا اِنَّكَ عَلٰى كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ
অর্থ মুবারক: উনাদের নূর মুবারক উনাদের সামনে এবং ডানে ছুটাছুটি করবে। উনারা বলবেন, (আয় আল্লাহ পাক!) আমাদের জন্য আমাদের নূর পূর্ণ করে দিন। এবং আমাদেরকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি সমস্ত কিছুর উপর ক্ষমতাবান।” (সম্মানিত ও মহাপবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ, সম্মানিত ও মহাপবিত্র আয়াত শরীফ -৮)
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম সেই মহান ও সম্মানিত মাক্বাম মুবারক উনার অধিকারিনী মুহসিনীন তথা খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে হাক্বীক্বীভাবে চিনে, ছোহবত মুবারকে থেকে হাক্বীক্বী হক্ব আদায় করার তৌফিক দান করেন। (আমীন)